জনজাতি গৌরব দিবসের মূল অনুষ্ঠান হয় রবীন্দ্র ভবনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উপস্থিতিতে

আগরতলা : দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আদিবাসী সমাজের বিকাশ হয়নি। কিন্তু ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ইতিহাস তুলে এনেছেন। বীরসা মুণ্ডাকে যোগ্য সম্মান দেওয়ার জন্য ১৫ নভেম্বর জনজাতি গৌরব দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।শুক্রবার রাজধানীর রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে জনজাতি গৌরব দিবসের অনুষ্ঠানে একথা বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জোতিরাদিত্য মাধবরাও সিন্ধিয়া।১৫ নভেম্বর জনজাতি গৌরব দিবস সারা দেশের সাথে রাজ্যেও দিনটি পালন করা হয়। রাজ্যের মূল অনুষ্ঠানটি হয় রাজধানীর রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে। অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য মাধবরাও সিন্ধিয়া বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন বলেন জনজাতিদের উন্নয়নের জন্য কাজ করছে ডাবল ইঞ্জিনের সরকার। তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প চালু করা হয়েছে। জনজাতিদের ঘরে ঘরে এই প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরো বলেন, দেশের মুখ্য ধারায় যাতে জনজাতি অংশের মানুষ সামিল হতে পারে তার জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানীয় জল এবং ঘর প্রদানের মাধ্যমে সার্বিক বিকাশ করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন,বীরসা মুন্ডা শুধু জনজাতিদের প্রেরণা নয়। তিনি ভগবানের স্বরূপ। সরস্বতী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জোতিরাদিত্য মাধবরাও সিন্ধিয়া, জনজাতি কল্যান দপ্তরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা, সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, সাংসদ কৃতি সিং দেববর্মণ, পশ্চিম জেলার জেলা শাসক ডাঃ বিশাল কুমার, জনজাতি কল্যান দপ্তরের সচিব ব্রিজেশ পান্ডে সহ অন্যান্যরা।

Related posts

সহসাই নবম পর্যায়ে মাসকা অভিযান শুরু হবেঃমুখ্যমন্ত্রী

শারদীয় দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে প্রকাশিত হল কৃষ্টি পরিষদের শারদ সাহিত্য সম্ভার ‘কৃষ্টি’

টিসিএস অফিসাররা সরকারের মুখঃমুখ্যমন্ত্রী