আগরতলা : ইরান, আমেরিকা ও ইজরায়েলের যুদ্ধ আবহে রাজ্যের পেট্রোল পাম্প গুলিতে যান চালক ও বাইক চালকরা সকাল থেকে ভিড় জমাতে শুরু করেছে। আগরতলা শহর থেকে গ্রাম সর্বত্র পেট্রোল পাম্প গুলিতে একই অবস্থা। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার খাদ্য ও পরিবহন দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী মহাকরণে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান ইরান, আমেরিকা ও ইজরায়েলের যুদ্ধ আবহে মানুষের মধ্যে একটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে যে রাজ্যে পেট্রোল, ডিজেল সংকট দেখা দিতে পারে। দপ্তর বিষয়টি উপলব্ধি করেছে। তাই দপ্তরের সচিব, অধিকর্তাকে নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে রাজ্যের পেট্রোল পাম্প ডিলারদের এসোসিয়েশন, মহারাজগঞ্জ বাজারে ব্যবসায়ী এসোসিয়েশনের প্রতিনিধি সহ অন্যান্য আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। রাজ্যে পেট্রোল, ডিজেল, এলপিজি সিলিন্ডার, অন্যান্য পেট্রোপণ্য সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সরবরাহ এবং মূল্য যাতে স্বাভাবিক থাকে এবং অত্যাবশকীয় সামগ্রীর কালবাজারী প্রতিরোধে রাজ্যের খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ বিষয়ক দপ্তর সচেষ্ট রয়েছে। বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য কোন ভাবেই যেন স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি না পায় এই বিষয় গুলো সামনে রেখে এবং রাজ্যে পেট্রোল-ডিজেল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীর কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে কালোবাজারীর মাধ্যমে যাতে জিনিসের দাম না বাড়ে তার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে বৈঠক করা হয়েছে। রাজ্যে বর্তমানে এক মাসের পেট্রোল, ডিজেল, এলপিজি মজুত রয়েছে। তাই অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কারন নেই। তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান অযথা পেট্রোল পাম্পে ভিড় না জমানোর জন্য। রাজ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীর যথেষ্ট মজুত রয়েছে বলেও জানান। কালোবাজারি রুখতে সহসাই এনফোর্সমেন্ট অভিযান শুরু করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী এইদিন পেট্রোল, ডিজেল, এলপিজি গ্যাস সহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীর কালোবাজারি যেন না হয় তার জন্য দপ্তরের আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। একই সাথে তিনি স্পষ্ট জানান কোন অবস্থায় কালোবাজারি বরদাস্ত করা হবে না।
রাজ্যে বর্তমানে পেট্রোল, ডিজেল, এলপিজি গ্যাসের কোন সংকট নেইঃমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী
7