আগরতলা : আধুনিক ভারতকে গঠন করার জন্য ভারত রত্ন এম বিশ্বসরাইয়ের যুগান্তরকারি অবদানকে স্মরণ করতে ইঞ্জিনিয়ার দিবস পালন করা হয়। এই দিনটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ইঞ্জিনিয়ারদের সম্মান জানানোর জন্য একটা বিশেষ দিন। ইঞ্জিয়ারিং শুধুমাত্র একটা পেশা নয়, এইটা রক্ত মাংসের মানুষের আজীবন ত্যাগের বিনিময়ে গড়া একটা শিল্প। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেও বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ারিং ঢুকে গেছে। প্রধানমন্ত্রী ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত দেশে পরিণত করার কথা বলেছেন। এইটা নির্ভর করবে ইঞ্জিনিয়ারদের উপর। ত্রিপুরা রাজ্য আগের কর্মসংস্কৃতি থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী এইদিন উদাহরণ দিয়ে বলেন ভারতের ইঞ্জিনিয়াররা কোন অংশে কম নয়। ভারতের ইঞ্জিনিয়ারা বড় বড় অনেক কাজ করেছে। প্রজ্ঞা ভবনে ইঞ্জিনিয়ার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রাজ্য ভিত্তিক মূল অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন রাজ্যের ইঞ্জিনিয়ারদের দক্ষতার কোন খামতি নেই। ত্রিপুরা রাজ্যে ইঞ্জিনিয়ারদের কারণে মহাকরণ থেকে পঞ্চায়েত স্তর প্রজন্ত ই-পঞ্চায়েত ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়েছে। এতে করে কাজ যেমন দ্রুত হচ্ছে, তেমনি কাগজেরও সাশ্রয় হচ্ছে। ত্রিপুরা রাজ্যে ইঞ্জিনিয়ারদের ৩৩০ টির বেশি শূন্য পদ তৈরি করা হয়েছে। মৈত্রী সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এই মৈত্রী সেতু চালু হলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রবেসদ্বার হবে ত্রিপুরা। আগরতলা শহরকে যানজট মুক্ত রাখতে ভারত মালা প্রকল্পের অধীন আগরতলা শহরের চার পাসে রিং রোড নির্মাণ করা হচ্ছে। ইঞ্জিনিয়ারদের ছাড়া কোন কাজ করা সম্ভব নয় বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী। এইদিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য সচিব জে.কে সিনহা, রাজ্য সরকারের সচিব অভিষেক সিং, সচিব কিরণ গিত্তে সহ অন্যান্যরা। ত্রিপুরা সরকারের পূর্ত দপ্তর এবং দ্য ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্স ত্রিপুরা স্টেট সেন্টারের উদ্যোগে এইদিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সহযোগিতা করে রাজ্যের বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট ও পেশাদার সংগঠন গুলি। অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এইদিন রক্তদান শিবিরেরও আয়োজন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য অতিথিরা রক্তদান শিবির ঘুরে দেখে রক্ত দাতাদের উৎসাহ প্রদান করেন।
ত্রিপুরা রাজ্যে ইঞ্জিনিয়ারদের ৩৩০ টির অধিক শূন্য পদ তৈরি করা হয়েছেঃমুখ্যমন্ত্রী
2