আগরতলা : বিধানসভা অধিবেশন চলাকালিন সময় মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় বলেছিলেন সর্ব শিক্ষার শিক্ষক কর্মচারীদের নিয়মিতকরণ সংক্রান্ত মামলা সুপ্রিমকোর্টে গেছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি জানেন না। ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালত সর্বশিক্ষার সকল শিক্ষকদের নিয়মিতকরণ সহ পেনশন প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে। পরবর্তী সময় রাজ্য সরকার একটা স্কিম লাগু করে। তাতে দুইজন শিক্ষক নিয়মিত স্কেলে বেতন পাচ্ছে। পরবর্তী সময় সর্বশিক্ষার শিক্ষকরা রাজ্য সরকারের লাগু করা স্কিমের বিরোধিতা করে উচ্চ আদালতে আপিল করে। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই উচ্চ আদালত রাজ্য সরকারকে স্পষ্ট নির্দেশ দেয় যেন ২০১১ সালের ২৯ জুলাইর পূর্বে যাদের নিয়োগ হয়ে গেছে তাদের কোন টেটের প্রয়োজন নেই। অথচ বিজেপি ক্ষমতায় আসার পূর্বে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা হলে তিন মাসের মধ্যে সর্বশিক্ষার শিক্ষকদের নিয়মিতকরণ করা হবে। কিন্তু রাজ্য সরকার ২০২৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর সুপ্রিমকোর্টে এসএলপি দায়ের করে। সর্বশিক্ষার শিক্ষকরা সুপ্রিমকোর্টে এই মামলার শুনানিতে উপস্থিত ছিল। সরকার পক্ষ থেকে সুপ্রিমকোর্টে দাবি জানানো হয়েছে সকলের টেট পরীক্ষা যেন বাধ্যতা মূলক করা হয়। অথচ কোন কিছু না জেনে মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় সর্বশিক্ষার সিক্ষকদের নিয়ে বক্তব্য দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের তীব্র প্রতীবাদ জানাল ত্রিপুরা এস এস এ টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন। শনিবার আগরতলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে সংগঠনের সভাপতি মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতীবাদ জানান। সংগঠনের রাজ্য সভাপতি সজল দেবের সাথে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সম্পাদক বিপুল দেববর্মা সহ অন্যান্যরা।
বিধানসভার অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতীবাদে সরব হল ত্রিপুরা এস এস এ টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন
13