আগরতলা : বুধবার সকালে রাজধানীর এডি নগরস্থিত শহিদ মনোরঞ্জন স্মৃতি স্টেডিয়ামে পুলিস শহিদ দিবস পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। অনুষ্ঠানে এইদিন পুলিশের পক্ষ থেকে কুচ কাওয়াজ প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে মুখ্যমন্ত্রী এইদিন শহিদ বেদিতে ফুল দিয়ে শহিদ আরক্ষা কর্মীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে তিনি অনুষ্ঠানে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন পুলিস শহিদ দিবসে যে সকল আরক্ষা কর্মীরা কর্তব্যরত অবস্থায় শহিদ হয়েছেন তাদেরকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। তাদের আত্মত্যাগ চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ১৯৬৯ সালের ২১ অক্টোবর লাদাখে আরক্ষা কর্মীরা দায়িত্ব পালন করার সময় তাদের উপর আচমকা হামলা চালায় চিনা সেনা বাহিনী। তাতে করে ১০ জন আরক্ষা কর্মী শহিদ হয়। পরবর্তী সময় ১৯৬০ সাল থেকে ২১ অক্টোবর দিনটিকে পুলিস শহিদ দিবস হিসাবে পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে দেশের সরকার। ১৯৬১ সালের ২১ অক্টোবর দিনটিকে পুলিস শহিদ দিবস হিসাবে পালন করা হয়। পরবর্তী সময় ২০১২ সাল থেকে নয়া দিল্লির চাণক্য পুরির পুলিশ স্মৃতি সৌধে জাতীয় স্তরে এই দিনটি পালন করা হয়। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আরক্ষা কর্মীরা তাদের দায়িত্ব পালন করে। পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সমগ্র দেশের ১৫৪ জন আরক্ষা কর্মী কর্তব্যরত অবস্থায় শহিদ হয়েছেন। তার মধ্যে ত্রিপুরার কোন পুলিশ কর্মী নেই। তবে এখনো পর্যন্ত বিভিন্ন সময় কর্তব্য পালন করতে গিয়ে ত্রিপুরা পুলিশের প্রায় ২২২ জন পুলিশ কর্মী শহীদ হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী এইদিন আরও বলেন বর্তমান সময়ে অপরাধের ধরন ও কৌশলগড় দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। সাইবার অপরাধ, মাদক পাচার, নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য ত্রিপুরা পুলিশকে আরও দক্ষ ও আধুনিকীকরণ জরুরি। এইদিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য সচিব জে.কে সিনহা, রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত মহানির্দেশক জি.এস রাও সহ অন্যান্যরা।।
ত্রিপুরা পুলিশকে আরও দক্ষ ও আধুনিকীকরণ করা জরুরিঃমুখ্যমন্ত্রী
4