জেলা শাসকের কাছে স্মারকলিপি সিপিএম-র

আগরতলা : মোহনপুর মহকুমার দেবেন্দ্রনগর ডাম্পিং স্টেশনের আগুনে সেখানকার বিশাল অঞ্চলে বসবাস করা জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।একদিকে আগুন থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড সহ বিষাক্ত রাসায়নিক গ্যাসের গন্ধে শিশু সহ মহিলারা ব্যাপকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে সেখানে অবস্থানরত দুই নেপালী বস্তি থেকে শিশুদের নিয়ে অনেকেই সড়ে গেছেন নিরাপদ স্থানে।এই ব্যাপারে রাজ্য প্রশাসনের কোনো হেলদোল নেই বলে অভিযোগ।সেই এলাকার অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বৃহস্পতিবার সিপিআইএম পশ্চিম জেলার এক প্রতিনিধি দল জেলা শাসকের সাথে ডেপুটেশনে মিলিত হয়।সিপিআইএম রাজ্য কমিটির সম্পাদকমন্ডলির সদস্য পবিত্র কর বলেন এই ডাম্পিং স্টেশনের দায়িত্বে যে সংস্থা রয়েছে তাদের দায়িত্ব ছিল পৃথকীকরণ যন্ত্রের সাহায্যে জমাকৃত ময়লা থেকে সার ও মিথেন গ্যাস উৎপাদন করা ও বাজারজাত করা। এই কাজ বেশ কিছুদিন বন্ধ হয়ে আছে।কিন্তু কেন কেউ জানে না। পবিত্র কর বলেন কোনো কারণে সেখানে আগুন লাগে, দমকলকর্মীরা দেবেন্দ্রনগরে জল না থাকায় ট্যাঙ্ক করে জল এনে আগুন কমিয়ে চলে যায় ।আগুন নেভাতে পারেনি পাঁচদিন ধরে।ফলে আগুন বেড়েই চলেছে সাথে বিষাক্ত গ্যাস।বিষাক্ত রাসায়নিক ধোঁয়া বিশাল অঞ্চলে ছেয়ে গেছে।সেই সাথে যুক্ত হয়েছে মাছির উপদ্রব।ধোঁয়ার জন্য সমস্ত মাছি বাড়ী ঘরে হামলে পড়েছে। তিনি বলেন পুর নিগম- প্রশাসন বেখবর।পরিস্থিতি এমন জায়গায় গিয়েছে যে আক্রান্ত স্থানীয় মানুষ সেখানকার ৫০ একর জায়গা জুড়ে গড়ে ওঠা ডাম্পিং স্টেশন যেকোনো সময় বন্ধ করে দিতে পারেন।তখন সমস্ত শহর “গারভেজ” নগরীতে পরিণত হবে এই আশঙ্কায় ডেপুটেশনে জেলা শাসকের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে। যাতে সমস্যা সমাধানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দফতরের সহায়তা নিয়ে আইসিএআর ও সিআরপি এফের সাহায্য নেওবার কথা বলেছেন প্রতিনিধিরা।এদিন প্রতিনিধি দলে ছিলেন সিপিআইএম পশ্চিম জেলা কমিটির সম্পাদক রতন দাস, সিপিআইএম নেতা সুভাষ দেব সহ অন্যরা

Related posts

People must remove TMC misrule in Bengal: Tripura CM

পরিবহণ দপ্তরের অধিন চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে পর্যালোচনা বৈঠক করলেন দপ্তরের মন্ত্রী

বাংলায় তৃণমূলের দুঃশাসন মুক্ত করতে হবে জনগণকে: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী