আগরতলা : ত্রিপুরায় গুরুতর হিমোফিলিয়ায় আক্রান্তদের জন্য ‘এমিসিজুমাব’-এর সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। নার্সিং কলেজ, এজিডিসি ও আইজিএম হাসপাতাল কমপ্লেক্সে এক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে ‘এমিসিজুমাব’-এর সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা বলেন ব্রেস্ট কেন্সার, ওরাল কেন্সার, সারভাইবেল কেন্সারে আক্রান্ত রোগীদের রাজ্যে বিনামূল্যে টিকা প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমান সরকার প্রতিষ্ঠার পর থেকে মাসকা অভিযান শুরু করা হয়। বর্তমানে যারা ছেলে মেয়ে তারাই আগামিদিনে দেশের ভবিষ্যৎ, সেই কথা মাথায় রেখে এই অভিযান শুরু করা হয়েছে। সহসাই নবম পর্যায়ে এই অভিযান শুরু হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। পিছিয়ে পড়া ধলাই জেলায় প্রায় সময় জল বাহিত রোগে মৃত্যুর ঘটনা ঘটত। বর্তমানে ধলাই জেলায় জল বাহিত রোগে আর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে না। প্রত্যন্ত এলাকার কোন মানুষ যেন চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না হয় সেই দিকে নজর রাখা হয়। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিকাঠামো আগের তুলনায় অনেক উন্নত করা হয়েছে। ডেন্টাল কলেজের পাশে আরেকটা ডেন্টাল বিল্ডিং করা হচ্ছে। আগরতলা সরকারি মেডিক্যাল কলেজে মা ও শিশুদের জন্য একটি হাসপাতাল নির্মাণের কাজ চলছে। বিভিন্ন জেলায় ড্রাগ এডিকশন সেন্টার করা হচ্ছে। বহিঃরাজ্যে রোগী রেফারের হার আগের তুলনায় প্রায় ৮০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন ‘এমিসিজুমাব’ কর্মসূচি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আইজিএম হাসপাতালকে নোডাল হাসপাতাল করা হয়েছে। জেলা হাসপাতাল গুলিতেও ‘এমিসিজুমাব’-এর ব্যবস্থা রাখা গেলে মানুষের সুবিধা হবে। এইদিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্তে, স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা সহ অন্যান্যরা।
সহসাই নবম পর্যায়ে মাসকা অভিযান শুরু হবেঃমুখ্যমন্ত্রী
1