আগরতলা : কথায় আছে বাঙ্গালির ১২ মাসে ১৩ পার্বণ। ভোজন রসিক বাঙালি, সুযোগ পেলেই কবজি ডুবিয়ে খাবে। আর বিজয়া দশমীতে খাবারের পাতে মাছ, মাংস, দই, মিষ্টি থাকবে না, তা কি করে হয়। তাইতো এইদিন বিজয়া দশমী উপলক্ষ্যে সকাল থেকে মাছ, মাংস ও মিষ্টির দোকানে ভিড় জমায় ভোজন রসিকরা। এইদিন বাজারে ইলিশ সহ বিভিন্ন ধরনের মাছ নিয়ে আসে মাছ বিক্রেতারা। ক্রেতারাও নিজেদের পছন্দ মতো মাছ ক্রয় করেন। এক মাছ বিক্রেতা জানান বাজারে ভালো মাছের যোগান রয়েছে। দামও স্বাভাবিক রয়েছে। বড় কাতল মাছ কাঁটা প্রতি কেজি ৬০০ টাকা করে বিক্রয় করা হচ্ছে। ইলিশ ছাড়াও বাজারে কাতল, চিংরি, রুই সহ বিভিন্ন ধরনের মাছ নিয়ে আসে বিক্রেতারা। মাংস বাজারেও এইদিন ক্রেতাদের ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। মাংস বিক্রতারা জানান পাঠা ও খাসির মাংস বিক্রয় হচ্ছে প্রতি কেজি ১১০০ টাকা করে। পোল্ট্রি মুর্গি কাঁটা ৩০০ টাকা প্রতি কেজি। আর দেশি মুর্গি প্রতি কেজি ৬০০ টাকা। বাঙ্গালির পাতে মাছ, মাংস থাকবে আর দই মিষ্টি থাকবে না, তা কি করে হয়। তাইতো এইদিন সকাল থেকে মিষ্টির দোকান গুলিতেও ক্রেতাদের ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। ক্রেতারা নিজেদের পছন্দ মতো দোকান থেকে দই মিষ্টি ক্রয় করে বাড়িতে নিয়ে যান। দই মিষ্টি ক্রয় করতে আসা ক্রেতারা জানান এইদিন বাড়িতে সকলে মিলে এক সাথে খাবার খাবেন, আর দশমীর আনন্দ উপভোগ করবেন। এইদিন বলতে গেলে সকাল থেকে বাজার গুলি দখল করে নেয় ভোজন রসিকরা। যে যার সাধ্য মতো মাছ, মাংস, দই মিষ্টি ক্রয় করে বাড়িতে নিয়ে যান। কারণ বিজয়া দশমী দিনটির জন্য আবার একটি বছর অপেক্ষা করতে হবে।
বিজয়া দশমী উপলক্ষ্যে সকাল সকাল বাজারে ভোজন রসিক বাঙ্গালির ভিড়
20
previous post