Agartala : কলমচৌড়া থানার অধীন আশাবাড়ির নতুন বাজার এলাকায় বিএসএফ ও গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের রেশ এখনো কাটে নি। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। কিভাবে সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত বিএসএফ জওয়ানদের উপর বর্বরোচিত আক্রমণ করেছে পাচার কাজের সঙ্গে যুক্ত একদল উন্মত্ত গ্রামবাসী। সেই ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ ও প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় অধিকাংশ অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়েছে পুলিশের হাতে। যে কারণে সীমান্ত এলাকায় একটা চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে এখনো। এরমধ্যে শনিবার বক্সনগরের সীমান্ত লাগোয়া রহিমপুর বাজারে দিনভর অভিযান চালাল বিএসএফ, কাস্টমস, সোনামুড়া মহকুমা প্রশাসন ও পুলিশের যৌথ বাহিনী। আশাবাড়িতে বিএসএফ জওয়ানদের উপর নির্মম হামলার ঘটনার পর এবার রহিমপুর বাজারে বড়সড় অভিযান চালাল কেন্দ্রীয় সংস্থা ও রাজ্য প্রশাসনের টিম। সূত্রের খবর, দুপুর পর্যন্ত বাজারের ৮টি দোকানের তালা ও শাটার ভেঙে তল্লাশি অভিযান চালানো চালায় কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ বাহিনী। যে কারনে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রহিমপুর বাজার এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। আর এই অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ শব্দ বাজি, বিস্কুট- সহ বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এদিকে সুত্রটি জানাচ্ছে, আশাবাড়ি কান্ডে অর্থাৎ বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামলা ও বন্দুক ছিনতাইয়ে মূল দুই অভিযুক্ত রবিউল হোসেন ও মাহাবুল হোসেন ঘটনার পরপরই বাংলাদেশ পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি তাদের। পালিয়ে গেলেও তারা বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে যায়। সুত্রটি আরো জানাচ্ছে যে এই দুই অভিযুক্তকে প্রত্যার্পনের জন্য শনিবার দুই দেশের সীমান্ত বাহিনীর ফ্ল্যাগ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।
বিএসএফ-এর উপর আক্রমণের জেরে রহিমপুর বাজারে অভিযান কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ বাহিনীর
4